দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলে সোহরাফ গাজীর জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ। মাছটি নিলামে ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে মাছটি কুয়াকাটা মৎস্য আড়তে আনা হয়। পরে নিলামে মাছটি কিনে নেন কুয়াকাটা মা মনি ফিশের ম্যানেজার মিজান।
জেলে সোহরাফ গাজী জানান, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পায়রা বন্দরসংলগ্ন পাইপ বয়ার গভীর সাগরে মাছ ধরার সময় জালে ইলিশটি ওঠে।
তিনি বলেন, প্রায় ১০ বছর ধরে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরি। জাল তোলার সময় অন্যান্য মাছের সঙ্গে বড় ইলিশটিও উঠে আসে। নিলামে প্রতি মণ ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা হিসেবে মাছটি কেজিপ্রতি ৭ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এত বড় ইলিশ অনেক দিন পর পেয়েছেন জানিয়ে সোহরাফ বলেন, দীর্ঘ সাত বছর পর এমন বড় মাছ পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমি খুব খুশি।
মাছটি কেনা মিজান বলেন, বাজারে বর্তমানে এত বড় ইলিশ খুব কম পাওয়া যায়। তাই নিলামে মাছটি কিনেছেন। এটি শরীয়তপুরের এক প্রবাসীর ভাইয়ের বাসায় পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা জামাল ঘরামি বলেন, ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা কেজি দরের ইলিশও আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের নাগালের বাইরে। আগে বছরে অন্তত একবার হলেও ঘরে ইলিশ আসত। এখন সেটাও স্বপ্নের মতো।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. রাজীব সরকার বলেন, ছোট ইলিশের অতিরিক্ত আহরণ, নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়া, বাঁধ ও স্লুইস গেটের কারণে মাছের চলাচলে বাধা এবং অবৈধ জালের ব্যবহার বড় ইলিশ কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ।
এ ছাড়া পানি দূষণ, প্ল্যাঙ্কটনের ঘাটতি এবং জলবায়ু ও লবণাক্ততার পরিবর্তন ইলিশের প্রজনন ও খাদ্য সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানান তিনি।
পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী বলেন, বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়া ইতিবাচক বিষয়। এটি নিষেধাজ্ঞার সুফলেরও একটি দিক হতে পারে। জালের প্রশস্ততা বাড়ানো গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের বড় আকারের ইলিশ আরও বেশি ধরা পড়তে পারে।
যে আই